টাকা জমিয়ে আপনি কোনো দিনই ধনী হতে পারবেন না, তাহলে উপায়?
ভালো চাকরি, বেতন, সঞ্চয়—বিষয়গুলো শুনতে নিরাপদ লাগে। বাস্তবে অনেকেই এই পথেই হাঁটেন। কিন্তু সত্যিটা হলো, শুধু টাকা জমিয়ে ধনী হওয়া যায় না।
ভালো চাকরি, বেতন, সঞ্চয়—বিষয়গুলো শুনতে নিরাপদ লাগে। বাস্তবে অনেকেই এই পথেই হাঁটেন। কিন্তু সত্যিটা হলো, শুধু টাকা জমিয়ে ধনী হওয়া যায় না।
বিকাশ হিসাব দিয়ে প্রতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা বা মাসে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করা যায় সঞ্চয়। বিকাশের অ্যাপ থেকে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসিতে ডিপিএস খোলা যায়।
কৃষি ব্যাংকের ‘অপরাজিত স্কিম’ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সঞ্চয়ী স্কিম, যাতে সর্বোচ্চ ১১% মুনাফা পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চালু স্কিমে গত দুই বছরে ৭১৬ জন যোগ দিয়ে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা সঞ্চয় করেছেন।
‘টাকা জমাও, ভবিষ্যৎ নিরাপদ হবে’—শৈশব থেকে আমরা এ শিক্ষাই পেয়ে এসেছি। কিন্তু বর্তমান অর্থনীতি আমাদের সামনে একটি নতুন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে, শুধু টাকা জমালেই কি ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকে?
কয়েক দিন ধরে সঞ্চয়পত্র কিনতে বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরলাম। ঘুরতে গিয়ে যা দেখলাম, সেটা কষ্টকর। একটা সরকারি ইনস্ট্রুমেন্ট কিনতে গিয়ে গ্রাহককে যে ভোগান্তি পোহাতে হয়, ওপরের মহলের লোকজন সেটা সম্ভবত জানেন না।
বাজেট ঘোষণার পর করদাতাসহ সাধারণ নাগরিকেরা চিন্তা করেন, এই বাজেট তাঁর খরচ কতটা বাড়াবে, কতটা কমাবে। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে, কোনটির কমবে—এসবের হিসাব–নিকাশে বসে যান অনেকে।
নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জিরা অর্থকে দেখছে ভিন্নভাবে। শুধু ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নয়; বরং বর্তমানের জীবনযাপন, অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সঙ্গেও তারা অর্থের সম্পর্ক খুঁজে নিচ্ছে।
বিকাশে ৬০ লাখের বেশি ডিপিএস, মুনাফা কত
তবে এর মানে এই নয় যে শুধু বসে বসে ইতিবাচক চিন্তা করলেই আপনি দীর্ঘজীবী হয়ে যাবেন। বরং সবচেয়ে উপকারী হলো ‘সক্রিয় আশাবাদী’ হওয়া।
ইসলামি ব্যাংকিং তরুণদের জন্য এমন একটি সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে তাঁরা ধর্মীয় মূল্যবোধ বজায় রেখে নিরাপদে সঞ্চয় করতে পারেন।
গড় আয়ের দিক থেকে সুইজারল্যান্ড হয়তো বিশ্বের শীর্ষ দেশের তালিকায় ওপরের দিকে থাকবে না। তাহলে তাঁদের এই অবিশ্বাস্য সম্পদের পেছনের জাদুকরী রহস্যটা কী?
ময়মনসিংহের ভালুকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে।