
রমজানে যে ৪ আমল করা জরুরি
নবীজি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি করতে বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি আমল এমন, যা না করে বান্দার উপায় নেই।

নবীজি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি করতে বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি আমল এমন, যা না করে বান্দার উপায় নেই।

রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।

‘রমজান’ শব্দটির আভিধানিক অর্থই হচ্ছে উত্তাপ, তাপের উচ্চমাত্রা বা পুড়িয়ে দেওয়া। রমজানকে তাই বলা যায়, গুনাহগার বান্দাদের গুনাহগুলো পুড়িয়ে নিজেদের শুদ্ধ করার মাস।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

রমজান এলে অনেক গর্ভবতী বোনের মনে প্রশ্ন জাগে—আমি কি রোজা রাখতে পারব? না রাখলে কি গুনাহ হবে? আমার ইবাদত কি কমে যাবে?

রমজানের দরজা সবার জন্যই খোলা—সুস্থ ও অসুস্থ, শক্ত ও দুর্বল, প্রস্তুত ও অপ্রস্তুত সবার জন্য। এই লেখা তাঁদের জন্য, যাঁরা চাইছেন কিন্তু পারছেন না, চেষ্টা করছেন কিন্তু পিছিয়ে পড়ছেন।

রমজানের ইবাদতের আরও একটি গভীর ও নীরব দিক আছে। সেটি হলো— যা আমরা করি, তা দিয়ে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা আমরা ‘করি না’ বা বর্জন করি।

খুশু কেবল নামাজের কোনো অঙ্গভঙ্গি নয়, বরং এটি হৃদয়ের এক বিশেষ অবস্থা—যা আল্লাহর ভয়ে বিনয়াবনত হওয়া এবং তাঁর মহানুভবতার সামনে নিজেকে সঁপে দেওয়ার নাম।

যেসব নফল জামাতে পড়া যাবে, তাতে জামাতের সওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়। যেসব নফল জামাতে বৈধ নয়, তাতে সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।

রমজানের এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে শাবান মাসের শেষ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এখানে আলোচনা করা হলো।

মূলত আল্লাহ তাআলা প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন। সেই হিসেবে তিনটি রোজার সওয়াব ৩০টি রোজার সমান হয়ে যায়।