যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের মধ্যে কত দিন টিকে থাকতে পারবে ইরান
১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ শুরু করে।
১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ শুরু করে।
ওমান উপসাগরে ইরান তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি দুই জাহাজ অচল করেছে। হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে। কাতার-পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রচেষ্টা চলছে।
ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
ইরান হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়ায় ও যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কারণে বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা না কাটলে ইরানের বন্দরগুলোতে ‘অনির্দিষ্টকাল’ নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশটি দাবি করছে, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। তবে ইরানের অবস্থান, নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই এবং তেহরানের শর্ত না মানলে জলপথ খোলা হবে না।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাধীন ট্যাংকার ‘রিচ স্টারি’ অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছিল।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্তম্ভিত করে দিলেও দেশটিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের খুব একটা লক্ষণ নেই।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘লেনদেনা’ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ বহাল থাকবে।
এর থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে উদ্যোগ নেবে।
রাশিয়ার ‘আনাতোলি কোলোদকিন’ ট্যাংকার ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে কিউবার মাতানজাস বন্দরে পৌঁছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সত্ত্বেও মস্কো কিউবার পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। জ্বালানিসংকটে জর্জরিত কিউবায় এ তেল সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ।