জাহেলি যুগে আরবদের মানবিক মূল্যবোধ
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, হিজরি বছরকে আমরা মহররম দিয়ে শুরু করলেও হিজরতের যাত্রা শুরু সফরের শেষভাগে।
ইসলামের অন্যতম বিধান অজু—নামাজের জন্য প্রতিদিন অজু করতে হয়। রাসুল (সা.)-এর অজুর পদ্ধতি, পানি ব্যবহারের পরিমাণ, ধোয়া- মাসাহের ধরন এবং অজুর দোয়া—হাদিসভিত্তিক এসব বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।
ওমরের মতো একজন দূরদর্শী, নিষ্ঠাবান সাহাবিও যখন তাৎক্ষণিক প্রজ্ঞা ধরতে হিমশিম খেয়েছিলেন, তখন উম্মে সালামার পরামর্শের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
সিরাতচর্চা কোনো মৃত ইতিহাস নয়, আমরা যদি একে তথ্যের খতিয়ান আর যুদ্ধের ইতিহাসের ফ্রেমে বন্দি রাখি, তা আবেগ জোগাবে ঠিকই, কিন্তু চরিত্র বদলাতে পারবে না।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
জায়েদ নামের এক ইয়াহুদি পণ্ডিত ছিলেন। প্রচুর সম্পদ ছিল তাঁর। একপর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীজির সঙ্গে অনেক যুদ্ধেও অংশ নেন।
সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।