
মহানবী (সা.)-এর শৈশব কেটেছে যে ঘরে
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

তাবুক যুদ্ধে অনুপস্থিত তিন সাহাবির তওবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তারা কোনো অজুহাত না দিয়ে সত্য স্বীকার করেন এবং ৫০ দিনের বয়কটের পর আল্লাহ তওবা কবুল করেন। এ ঘটনা থেকে সৎকাজে দেরি না করা, সত্যের পথ অনুসরণ ও প্রকৃত অনুশোচনার শিক্ষা পাওয়া যায়।

হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।

বর্তমানের সুশৃঙ্খল পুলিশি ব্যবস্থার যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আমরা দেখি, মদিনার পুণ্যভূমিতে তার আদি রূপ দেখা যায়। ইতিহাসবিদের মতে, এ থেকেই পুলিশি ব্যবস্থার বীজ বপন হয়।

নবীজির ইন্তেকালের পর মদিনাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাহাবিরা ধীরে ধীরে সেই শোক কাটিয়ে উঠলেও ইয়াফুরের শোক বুঝি কাটছিল না।

হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।

নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।

হিজরি নবম বছরে তায়েফের সাকিফ গোত্রের প্রতিনিধিদল মদিনায় এসে ইসলাম গ্রহণ করে। নবীজি (সা.)-এর প্রজ্ঞাময় আতিথেয়তা, ধৈর্যশীল আলোচনা ও নমনীয়তার মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটে। এটি দাওয়াতের সঠিক পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।

বাংলাদেশিদের হজ ও ওমরাহ সেবায় গতি আনতে সৌদি আরবের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। মদিনায় সৌদি হজ ও ওমরাহমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের বৈঠকে এ ঐকমত্য হয়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করেছেন ধর্মমন্ত্রী।

মুসলিম সৈন্যরা যখন মদিনায় পরিখা খনন করছিলেন, তখন তাঁদের তাবুগুলো ছিল এই এলাকায়। তবে স্থানটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে এক অলৌকিক মেজবানির জন্য।

সৌদি আরবে ইফতার শুরু হয় সাদামাটাভাবে, যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘ফকুক আল-রিক’ বা রোজা ভাঙার মুহূর্ত। এক গ্লাস পানি, মদিনার আজওয়া খেজুর আর এক কাপ ‘গাহওয়া’।

তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।