ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প–পুতিনের মধ্যে টেলিফোনে কী কথা হলো
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল সোমবার ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল সোমবার ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
পুতিন পাকিস্তানকে এমন একটি জানালা হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।
সর্বশেষ প্রাথমিক ফলাফলে মাজিয়ারের তিসজা পার্টি ১৩৬টি আসন পেয়েছে।
পুতিন রাষ্ট্র ও সমাজকে এমন এক যুদ্ধের ময়দানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে রাশিয়ার শক্তি, সম্পদ ও তরুণদের জীবন ক্ষয় করছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই প্রশিক্ষণের অনুমোদন দেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেছেন, জেলেনস্কির ওই চিঠির কথা জানেন পুতিন।
চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগমনের ৬ দিন পর, ২০ মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চীনে স্বাগত জানান। চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধের প্রস্তাব রাশিয়ার কাছে পাঠিয়েছে ইউক্রেন।
এই মার্কিন পদক্ষেপের ফলে ভারত, চীনসহ রাশিয়ার তেল–গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঝুঁকি তৈরি হলো।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে স্মরণকালের অন্যতম বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
আজকের এই প্রতাপশালী রাষ্ট্রনায়কদের কারও শৈশব কেটেছে রেলস্টেশনে চায়ের কেটলি হাতে, কেউ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে গুহায় বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন।