পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, ভারত থেকে বাসমতী চাল নিতে চায় আফগানিস্তান
আফগান সীমান্ত বন্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে পাকিস্তানের রপ্তানিতে ৩১০ কোটি ডলারের ধাক্কা। একই সময়ে আফগানিস্তানে বাসমতী চালের বাজারে জায়গা করে নিতে তৎপর ভারত।
আফগান সীমান্ত বন্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে পাকিস্তানের রপ্তানিতে ৩১০ কোটি ডলারের ধাক্কা। একই সময়ে আফগানিস্তানে বাসমতী চালের বাজারে জায়গা করে নিতে তৎপর ভারত।
একসময়ের মিত্র পাকিস্তান ও আফগান তালেবানের বর্তমান সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তাকে বিপজ্জনক খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশই এক অশান্ত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব দুই দেশের ওপরই পড়েছে।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বিস্ফোরণে নিহত সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
দেশভাগের কয়েক বছর পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, শুধু সাধারণ বন্দী নয়, মানসিক হাসপাতালে থাকা রোগীদেরও দুই দেশের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর আস্থা নেই বলেও জানিয়েছেন দেশগুলোর অধিকাংশ মানুষ।
জওহর সালিম বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এসব বৈঠক বিভিন্ন ইস্যুতে অনানুষ্ঠানিক সংলাপকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।’
সম্প্রতি প্রকাশিত ছোট্ট একটা খবর হলো—পাকিস্তান বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ কিছু আমলাকে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে ট্রেনিং দিয়েছে। এর সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করছে পাকিস্তান। যদিও বলা হয়েছে, এ প্রশিক্ষণ বাংলাদেশি আমলাদের ‘নেতৃত্ব ও দক্ষতা’ উন্নয়নের জন্য, কিন্তু পাকিস্তানের জন্য এর উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সুফল আরও প্রসারিত।
সম্প্রতি (১৫-২০ মে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালিতে কূটনৈতিক সফর করেছেন। এক সফর ক্রমবর্ধমান খণ্ডবিখণ্ড বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থায় ভারতকে একটি প্রভাবশালী ক্রীড়নকে পরিণত করার একটি প্রচেষ্টা।
শুধু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় উন্নতি নয়, বলতে পারেন টেস্টে নবজাগরণ ঘটেছে বাংলাদেশের।
ভারতের সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থগিত থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে। ৪ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ চলবে ২১ মে পর্যন্ত।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রধান সমাধান। ভারত, পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের সাফল্যমডেল গ্রহণ করে ভর্তুকি ও নেট মিটারিং চালু করা জরুরি। স্রেডার রোডম্যাপ বাস্তবায়ন না হলে সংকট গভীর হবে।