জামায়াত জোটে ভাঙন ও ভোটের নতুন হিসাব–নিকাশ
নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে কোনো দল যদি মনে করে জয় তাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, সেটাও আত্মঘাতী হতে পারে।
নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে কোনো দল যদি মনে করে জয় তাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, সেটাও আত্মঘাতী হতে পারে।
ভাঙন ঠেকাতে নদীর তীরে অল্প কিছু জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কোথাও পুরোনো বালুর বস্তা পড়ে আছে, কোথাও নতুন করে পাড় রক্ষার চেষ্টা চলছে। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, ভাঙনের তুলনায় এই প্রতিরোধব্যবস্থা খুবই সীমিত।
পদ্মা নদীর নির্মাণাধীন তীর রক্ষা বাঁধের তিনটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পদ্মার পানি ও স্রোত বাড়ায় গত সাত দিনে নদীতে বিলীন হয়েছে বাঁধটির অন্তত ২০০ মিটার অংশ।
ধুনট উপজেলার বানিয়াজান থেকে শহড়াবাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার অংশে ভাঙন–আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধে বসতি গড়ে বসবাস করা পরিবারগুলো শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি চাইছে, লোকসভায় দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করতে। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস ও পরে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীতে ভাঙন ধরানো সেই চেষ্টারই অংশ।
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
সন্দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের নতুন জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ ভূমি স্থানীয়ভাবে সবুজচর নামে পরিচিত। এর পশ্চিমে রয়েছে আরও নতুন একটি চর, স্থানীয় মৎস্যজীবী ও রাখালদের দেওয়া নাম ‘ডোবাচর’। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৩ কিলোমিটার ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় চার কিলোমিটার বিস্তৃত এই চর জোয়ারে ডুবে গেলেও ভাটায় জেগে ওঠে।
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার মতো ঝুঁকি বাড়ার কথা বলেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান।
নির্মাণের ৯ বছরের মাথায় সেই সড়কের দেড় কিলোমিটার অংশের প্রায় ৯০ শতাংশই নদীগর্ভে চলে গেছে।
ঢেউয়ের ধাক্কায় ভাঙনের ঝুঁকিতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের সীমান্ত সড়ক
গত ১৫ বছরে অন্তত ১১০টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। বর্তমানে মাত্র ২০টি পরিবারের বসতঘর টিকে আছে।
কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়নের চর কড়াইবরিশাল, বিশারপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প ও চর শাখাহাতি এলাকায় অন্তত ৭০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে আরও প্রায় ৩০০টি পরিবার।