জয়নাব বিনতে কামাল: এক চিরকুমারী হাদিস বিশারদ
তিনি ইতিহাসে এক ‘চিরকুমারী মুহাদ্দিসা’ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকদের মতে, বিবাহিত জীবনের ব্যস্ততায় যেন জ্ঞানার্জনে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই তিনি আজীবন অবিবাহিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
তিনি ইতিহাসে এক ‘চিরকুমারী মুহাদ্দিসা’ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকদের মতে, বিবাহিত জীবনের ব্যস্ততায় যেন জ্ঞানার্জনে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই তিনি আজীবন অবিবাহিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
মাহবুব উল হক একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন; কৈশোরে উপমহাদেশের বিভাজনের ভয়াবহ অস্থিরতা ও গণহত্যার সাক্ষী হয়েছিলেন; এবং এমন এক সময়ে বেড়ে উঠেছিলেন, যখন সদ্য স্বাধীন দেশগুলো নানা দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।
রেমব্রান্ট। পুরো নাম রেমব্রান্ট হারমেনসজোন ফান রেইন। তাঁর বিখ্যাত ছবি ‘নাইট ওয়াচের’ গায়ে একটি শিল্ড আছে, সেখানে আঠারোটা নাম খোদাই করা। এই আঠারোজন আমস্টারডামের নাগরিক মিলিশিয়ার সদস্য ছিলেন। ব্যবসায়ী, দোকানদার, পেশাজীবী, যাঁরা শহরের নিরাপত্তায় স্বেচ্ছায় অংশ নিতেন।
কবি আতুকেই ওকাই ঘানার আক্রায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪১ সালের ১৫ মার্চ। ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর আফ্রিকা এবং আফ্রিকার বাইরের নানা দেশে তাঁর কবিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং তাঁর কবিতার শক্তিমত্তাকে তুলে ধরা হয়। আফ্রিকান মৌখিক কবিতা (ওরাল পোয়েট্রি) ও পারফরম্যান্স পোয়েট্রির বিকাশে তাঁর অবদান অতুলনীয়।
প্রায় সোয়া শ বছর আগে অত্যন্ত অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া কবি পাবলো নেরুদা রেখে গেছেন এমন এক সাহিত্যিক উত্তরাধিকার, যা আজও অমলিন।
কেন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে স্মরণ করা হয় হাবিব আল-আজামিকে? তাঁর জীবন, তওবা, সাধনা ও সুফি ঐতিহ্যের এক অনবদ্য বর্ণনা।
আক্কা মহাদেবী যে রাজকীয় বস্ত্র ও অলংকার ত্যাগ করে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে যান এবং তাঁর দীর্ঘ কেশই ছিল একমাত্র আবরণ; এ নগ্নতা ছিল জাগতিক মোহ, সামাজিক লজ্জা ও পুরুষতান্ত্রিক কর্তৃত্ব থেকে মুক্তির শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এ পথ ছিল প্রচলিত সামাজিক ও ধার্মিক কাঠামোর প্রতি এক চ্যালেঞ্জ। তিনি ভিক্ষার অন্নে জীবন ধারণ করতেন এবং ভাঙা মন্দিরে রাত কাটাতেন। এভাবে তিনি ইন্দ্রিয়তৃপ্তি ও বৈষয়িক বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতেন।
২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)
মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ১৯০২ সালের ৪ জুলাই স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠে মহাসমাধি লাভ করেন। কিন্তু তাঁর জীবনাদর্শ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
ছোট ছোট কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস একজন ব্যক্তিকে আরও সতেজ, আত্মবিশ্বাসী ও পরিপাটি দেখাতে সাহায্য করে। আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের এমনই কয়েকটি অভ্যাস তুলে ধরা হলো।
বিচারপতি পালের রায়ের তাৎক্ষণিক প্রভাব আদালতে সীমিত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রতিক্রিয়া ছিল সুদূরপ্রসারী। ১৯৫২—১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল ল কমিশন’-এর সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর রায়ই প্রথমবারের মতো বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছিল—যুদ্ধাপরাধের বিচারে একটি স্থায়ী, নিরপেক্ষ ও সুসংগত আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দরকার। এই উপলব্ধি থেকেই পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ধারণা বিকশিত হয়।
মুস্তাফা মনোয়ার যে কত রকম চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের মানুষকে উপহার দিয়েছেন, বলে শেষ করা যাবে না। চিরকাল ভেবেছেন, কী করে টেলিভিশনের মাধ্যমে ছোটদের মধ্যে দেশপ্রেম উদ্বুদ্ধ করা যায়।