
সিলেটে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৬ নেতাকে বহিষ্কার
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বহিষ্কৃত মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ছয়জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বহিষ্কৃত মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ছয়জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কারণে সরাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ৩০ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সদ্য দলে যোগ দেওয়া নেতা রেজা কিবরিয়া। তিনি সাবেক অর্থমন্ত্রী ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে।

নোয়াখালী-২ আসনের সেনবাগে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর গাড়িতে গুলির অভিযোগ

এই বন্দরে কাজ করা কয়লাশ্রমিক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আমরা এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই, যাতে এই বন্দর সব সময় চালু থাকে।’

আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জে) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ি প্রতীক) আবদুল হান্নান ও বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতীক) হারুনুর রশিদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনকে আটক করে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।

গাড়ি থেকে নামলেন মাদারীপুর-২ (রাজৈর ও সদরের একাংশ) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য।

মাদারীপুর–২ (সদর একাংশ ও রাজৈর উপজেলা) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্যর গণসংযোগে হামলা করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়ার সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচন ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের বদল এসেছে। বিএনপির আসন সমঝোতার প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।