পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরাজয়ের পর মমতা–অভিষেকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি জাত্যভিমানে বাতাস দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জিততে চেয়েছিলেন।
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি জাত্যভিমানে বাতাস দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জিততে চেয়েছিলেন।
বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়বাহী উৎসব বাংলা নববর্ষ। এটি কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ও বটে। সর্বোপরি বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সামষ্টিক জীবনের প্রতীক।
মৈত্রী পানিবর্ষণ আয়োজনে বান্দরবান জেলা শহরের রাজার মাঠে হাজারো পাহাড়ি ও বাঙালি হাজারো নারী-পুরুষের সমাগম হয়। পানিবর্ষণ উৎসবে যোগ দিয়েছেন সবাই।
পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।
বাঙালি জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির আনন্দঘন উদ্যাপনের দিন আজ।
প্রখ্যাত গায়িকা আশা ভোসলের মৃত্যুতে স্মৃতিচারণ করেছেন সাবিনা ইয়াসমীন। ঢাকা ও বোম্বের স্মৃতি তুলে ধরে বলেছেন, আশাজির নম্রতা ও বাঙালি খাবারের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। তাঁর গান এখনো হৃদয়ে বেঁচে আছে।
বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?
‘আশ্রম’ সিরিজে সাহসী ভূমিকায় অভিনয় করে আলোচিত <strong>ত্রিধা চৌধুরী</strong>। বাংলা চলচ্চিত্রে প্রাপ্য সুযোগ না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন এই বাঙালি অভিনেত্রী। মুম্বাইয়ে সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার, সংগ্রাম ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।
বাঙালি জাতির স্বাধিকারস্পৃহা দমনের উদ্দেশ্যে ১৭ জানুয়ারি লারকানায় যে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেছিল, ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বাঙালির ওপর প্রবল ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর মধ্য দিয়ে তা কার্যকর করার চেষ্টা করে।
স্যামসনের দেশেরই সিনেমা ‘ম্যাডলি বাঙালি’তে একটি সংলাপ আছে এমন, ‘কারও জীবনে সুযোগ আসে সাত বছরে, কারও সত্তর বয়সে।’ স্যামসন নিঃসন্দেহে পরের কাতারের মানুষ।
একাত্তরের পর বলা হয়েছিল যে একাত্তর ঘটেছে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। কথাটা তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ একই সঙ্গে বাঙালি ও মুসলমান।