বৈশাখী ভোরে, সন্ধ্যায়
ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।
ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান বলেছেন, পয়লা বৈশাখসহ ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন সব সংস্কৃতি তারা ধারণ করবে। রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শোভাযাত্রার পর রমনা পার্কে উৎসব চলছে।
চট্টগ্রামে পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা, গান-নাচ ও আলপনায় উদযাপন। ডিসি হিল, সিআরবি শিরীষতলা ও শিল্পকলা একাডেমিতে রঙিন অনুষ্ঠান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল আটটায় সার্কিট হাউস থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়াসহ পাঁচটি প্রধান মোটিফ রয়েছে, প্রতিটি আলাদা বার্তা বহন করে।
আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
বাঙালি জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির আনন্দঘন উদ্যাপনের দিন আজ।
তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।
বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদ ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়।
বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।
আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।
পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে আর নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পাহাড়ের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী নানা নামে উৎসব উদ্যাপন করছেন। মারমা সম্প্রদায়ের ‘সাংগ্রাই’ উৎসবের অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি জেলা শহরের পানখাইয়া পাড়ায় আয়োজন করা হয় মৈত্রী পানিবর্ষণ উৎসব। মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করতে উৎসবে পানি নিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ।
রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষ বরণে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, নির্ভয়ে গান গাওয়া ও শঙ্কামুক্ত জীবনের কামনা করেছেন। অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করে বিশ্বশান্তির প্রার্থনা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠান সকাল ৬টা ১৫ থেকে ৮টা ২৫ পর্যন্ত চলে।