রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; বিরোধী দলগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ১১-দলীয় ঐক্যের বৈঠক আহ্বান।
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; বিরোধী দলগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ১১-দলীয় ঐক্যের বৈঠক আহ্বান।
সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দাবি করেছেন যে, ক্ষমতার রাজনীতির কারণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা ব্যাহত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, সরকার স্বৈরতন্ত্র বন্ধকারী অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে পতিত স্বৈরাচারের পথে হাঁটছে। গণভোট, মানবাধিকার ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সরকারকে অধ্যাদেশগুলো দ্রুত অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন—এ বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
‘আগামী দিনে কোনো আন্দোলন হলে সংগ্রাম হলে বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে হবে। হেরে যাবে রাজাকার, জিতে যাবে বাংলাদেশ ইনশা আল্লাহ,’ বলেছেন তিনি।
নির্বাচন–পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকারকে চাপে রাখতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে সংসদে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ৩২টি আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি তুলে ইসিতে আবেদন করেছে তারা। ১৩টি আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে গিয়েছে আদালতে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পরাজিত হয়েছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কাছে। বিএনপি অনেকের কাছে মধ্যপন্থী দল হলেও তুলনামূলকভাবে সেক্যুলারও।
কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার বৈঠক শেষে কয়েক স্তরের সাংগঠনিক নেতাদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
৯১-এর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছিল
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে লংমার্চ দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
‘আপনার হাতে আর সময় নেই’, রাতেই বার্তা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি এবং দ্রব্যমূল্য ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে ৫ ও ৬ আগস্ট দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য।