শিখন ঘাটতি পূরণে ১০টি শনিবার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে
রমজানে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম চলবে।
রমজানে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম চলবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে নতুন করে পরীক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়।
রমজান মাসজুড়ে ছুটির কারণে শিখন ঘাটতি পূরণে আজ থেকে ১০ শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশে সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আগামীকাল ২৩ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে।
গণসাক্ষরতা অভিযান উদ্যোগে ‘শিক্ষার বাজেট: বাজেটের শিক্ষা’ শীর্ষক প্রাক্-বাজেট আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারি পদ্ধতি পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা করছে।
উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ শতাংশে নামায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঘটনায় প্রশ্ন উঠতেই পারে, এত তাড়াহুড়া করে পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন কী ছিল? যেখানে প্রতিবছর তিন ধাপে সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হতো, সেখানে এবার কেন এক ধাপে পরীক্ষা নিয়ে দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়া হলো? এই তাড়াহুড়ার পেছনে কারা লাভবান হলো, সেই প্রশ্নের জবাব কি কেউ দেবে?
আগামীকাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত ছুটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে সংশোধিত এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষকদের নির্বাচনমুখী হওয়া প্রসঙ্গে নিজস্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চার হাজারের বেশি চেয়ারম্যান পদ ও ৪৯৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক অংশ নেন। এতে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি দেশের কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম বিতরণের ঘটনা ঘটে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত জ্বালানিসংকটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে ৯ এপ্রিলের মন্ত্রিসভা বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সশরীর-অনলাইন মিশ্র ক্লাসের সিদ্ধান্ত সেখানেই হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস কঠিন বলে মত প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।