
হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা থেকে বেঁচে ফেরা গাছের গল্প
বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত ছিলেন, আগামী কয়েক দশকে হিরোশিমায় কোনো উদ্ভিদ জন্মাবে না। কারণ, বিস্ফোরণস্থলের তাপমাত্রা ছিল অসহনীয় মাত্রায় বেশি এবং তেজস্ক্রিয়তার স্তর ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক।

বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত ছিলেন, আগামী কয়েক দশকে হিরোশিমায় কোনো উদ্ভিদ জন্মাবে না। কারণ, বিস্ফোরণস্থলের তাপমাত্রা ছিল অসহনীয় মাত্রায় বেশি এবং তেজস্ক্রিয়তার স্তর ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক।

১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলের ৪ নম্বর চুল্লিটি বিস্ফোরিত হয়।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় ওয়াশিংটন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কোনো আপস করবে না—এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। থায়ার মার্শাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডেভিড ডেস রোচেস বলেছেন, এটি ইরানের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও জেডি ভ্যান্সের অংশগ্রহণ প্রশাসনের আন্তরিকতা দেখায়।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামানোর কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তেহরানকে চূড়ান্ত প্রস্তাব দিয়ে আলোচনা ছেড়ে চলে গেছেন। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিকে দোষারোপ করেছে।

কাতারের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুলতান বারাকাতের ধারণা, ইসরায়েল সীমিত পরিসরে ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক হামলা চালিয়ে নিজেদের পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। ট্রাম্পের কঠোর ভাষা এর ইঙ্গিত দেয় বলে তিনি মনে করেন। ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিকানা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

জ্বালানি সংকটে ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য পারমাণবিক বিদ্যুতে নতুন আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিভিন্ন দেশ নীতিগত পরিবর্তন এবং এসএমআর প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে। তবে নিরাপত্তা ও বিলম্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

জার্মানি বা পোল্যান্ডের মতো ইউরোপের কোনো কোনো দেশও এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইছে।

ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার চাপে ইরান এনপিটি ছাড়ার প্রস্তাব নিয়েছে। পারমাণবিক স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা তীব্রতর হয়েছে। দেশে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন, থমথমে পরিস্থিতি চলছে।

চেরনোবিল মানুষের জন্য বর্জনীয় এলাকা বা এক্সক্লুশন জোন হলেও সেখানে জীবের ভিন্নমাত্রিক বিকাশ দেখা গেছে।

ইরান যুদ্ধে জড়ালে সৌদির পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান

১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যখন তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন বিশ্ব প্রথম বড় জ্বালানি–সংকটের মুখোমুখি হয়।

ট্রাম্পের দাবি, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।