জাপানের কাছে তেল বিক্রি নিয়ে আলোচনা করছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের সুযোগে জাপানে আবার তেল রপ্তানির চেষ্টা করছে ইরান। তবে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের সুযোগে জাপানে আবার তেল রপ্তানির চেষ্টা করছে ইরান। তবে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা।
ইরানের যুদ্ধবিরতির জবাব ট্রাম্পকে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩.৮% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.২০ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ ব্যাহত, জ্বালানি কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন তেল রপ্তানিকারক হয়েছে।
আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের ম্যালকম ডেভিস মনে করছেন, এতে মার্কিন বাহিনীকে ব্যাপক প্রাণহানির মুখোমুখি হতে হবে। ট্রাম্পের মিশ্র সংকেতের মধ্যে দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র।
১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যখন তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তখন বিশ্ব প্রথম বড় জ্বালানি–সংকটের মুখোমুখি হয়।
ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এ দ্বীপ থেকে হয়।
গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র