
এমন অপমানজনক অপসারণ কি প্রাপ্য ছিল গভর্নরের
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড. আহসান এইচ মনসুর।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড. আহসান এইচ মনসুর।

বাংলাদেশ ব্যাংকে হেনস্তার শিকার আরও যত গভর্নর

ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই অতীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য কারও শাস্তি হয়নি।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নির্দেশে আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদ বাতিল করা হয়। তিনিই নতুন গভর্নরের নাম দিয়ে নথি উপস্থাপনের নির্দেশনা দেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে।

সরকার আর্থিক খাতকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

একজন ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ী, পোশাকশিল্প ও রিহ্যাবের মতো খাতে নীতি দখলের সুবিধাভোগী, এমন একজনকে গভর্নর পদে নিয়োগের প্রভাব ব্যাংক খাতের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তা সরকারকে ভেবে দেখার অনুরোধ করেছে টিআইবি।

নতুন গভর্নরের প্রতি আস্থা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা। তাঁরা মনে করেন, ব্যাংকঋণের সুদহার কমানো, ব্যাংক খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরানোসহ আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

ব্যাংক খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করতে হয়, তাই অপেশাদার যেকোনো আচরণের খেসারত আমাদের দিতে হয়। আমরা আশা করব ব্যাংক ও আর্থিক খাতে পেশাদারি নিশ্চিত করতে নতুন গভর্নর ব্যবস্থা নেবেন।

ব্যবসায়ীর গভর্নর হওয়া যখন বিরল ঘটনা

নতুন সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদে অদল–বদল করবে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বিদায়ী গভর্নরের প্রস্থান যেভাবে হলো, তা ওনার প্রাপ্য ছিল না। তাঁর সম্মানজনক বিদায় হতে পারত।

সকালেই বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর