নাছোড় সবুজ লতারা: কবিতায় জীবনের অদম্য স্পন্দন
কবিতায় হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ, পাথর ফাটিয়ে উঠে আসা সবুজ লতারার অদম্যতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক। শিশুর চিৎকার থেকে সাদা ডানার পাখি, মধ্যবিত্তের নিরাপদ অস্তিত্ব—জীবনের এই ছবিগুলো কবিতায় ধরা পড়েছে।
কবিতায় হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ, পাথর ফাটিয়ে উঠে আসা সবুজ লতারার অদম্যতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক। শিশুর চিৎকার থেকে সাদা ডানার পাখি, মধ্যবিত্তের নিরাপদ অস্তিত্ব—জীবনের এই ছবিগুলো কবিতায় ধরা পড়েছে।
সিসিফাসগুচ্ছ কবিতায় আপেলের গড়িয়ে পড়া, ভাঙনের ভয়, গান ভাঙা, মানুষের ভেঙে যাওয়া এবং চোরাবালির চুম্বনের চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতীক পুড়িয়ে নিছক কাগজ ভাবার মধ্য দিয়ে জন্মভূমির প্রতি এক অস্পষ্ট অনুরণন ঘুরে বেড়ায়। এটি ভাঙন, রূপান্তর ও অলীকতার গভীর অনুভূতির সমষ্টি।
সুশান্ত মজুমদারের কবিতা ‘স্বগতোক্তি/দুই’
জারিফ আলমের কবিতা ‘কোথাও নাহয়’
জফির সেতুর কবিতা ‘বর্বরীকের সাক্ষ্য’
কুদরত-ই-গুলের কবিতা ‘অনিবন্ধিত বৃষ্টি’
নাহিদ হাসানের কবিতা ‘ও আমার মাংসল ফুল’
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।
প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর কবিতায় অভিযোগ বা প্রতিরোধ খুব কম। তিনি বৃষ্টিতে ভিজুন, রোদে পুড়ুন বা একাকিত্বে কাটান—বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিতেন।
তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।
মহাদেব সাহার কবিতাগুলো ১৯৯৮-৯৯ সালে মুক্তকণ্ঠের সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হওয়ার পর ‘অন্য আলো’য় তুলে ধরা হলো পাঁচটি কবিতা—আদিশ্লোক, বৃষ্টি নামে, পাতাগুলি উড়ে যায়, হৃদয়কথা ও শেফালিফুলের ঋতু।