
ট্রাম্পের হুমকির পর ওয়াশিংটনকে সহযোগিতার ইঙ্গিত মাদুরোর অনুগত ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের
নিকোলা মাদুরোকে আজ নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলা হয়েছে।

নিকোলা মাদুরোকে আজ নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল ওয়াশিংটন।

গত রোববার রাতে ওয়াশিংটন–তেহরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করে।

যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।

পুতিন ও ট্রাম্প এগিয়ে চলেছেন। তাঁরা ইউক্রেন বা ইরানে ব্যর্থতা স্বীকার করতে পারছেন না, আবার বিজয়ের পথও খুঁজে পাচ্ছেন না। এই ‘অন্তহীন যুদ্ধের’ মূল্য প্রতি মাসে বাড়ছে। আর ইতিমধ্যে মস্কো ও ওয়াশিংটন ডিসিতে রাজনৈতিক বিদ্রোহের সূচনা দেখা যাচ্ছে।

ওয়াশিংটন দুই–এক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে।

৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে ওয়াশিংটন ও তেহরান; কিন্তু এ যুদ্ধবিরতি বেশ ভঙ্গুর।

৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে ওয়াশিংটন ও তেহরান; কিন্তু এ যুদ্ধবিরতি ছিল ভঙ্গুর।

ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাস এ সিদ্ধান্তকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা নিয়ে অযথা টানাটানি করছে।

পুতিন পাকিস্তানকে এমন একটি জানালা হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।