
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি করার পর প্রশ্ন উঠছে—এ যুদ্ধ ঠিক কিসের জন্য ছিল
ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার চুক্তি–পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল ওয়াশিংটন।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’

ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য শেষ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় পৌঁছেছে। আগামীকাল ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের কথা। এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় এলাকায় স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এই সমঝোতা কতটুকু টেকসই হবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।

ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

ট্রাম্প-ইরান চুক্তিতে বড় ধাক্কা খেলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে।

ট্রাম্প যখন এই অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, চুক্তি করতে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে তিনি উল্টো তাঁর অন্যপক্ষের সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করতে যাচ্ছেন।

দুই বিপরীতমুখী চাপ সামলানোই হবে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বড় চ্যালেঞ্জ।