স্থবিরতা কাটিয়ে অর্থনীতি গতিশীল হবে—এটাই আশা
নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।
নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।
২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের ৪২১ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন, যার বড় অংশ দেশীয় উৎস ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘আগামী অর্থবছর অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতনকাঠামোর বাস্তবায়ন হবে। কীভাবে তা উত্তম উপায়ে করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।’
রংপুর সিটি করপোরেশনে সরকারি বরাদ্দ ‘শূন্য’ টাকা হয়েছে বহু অর্থবছর ধরে। অন্যান্য সিটিগুলোতে প্রচুর অর্থ পেলেও রংপুর বঞ্চিত। এই বৈষম্য কতদিন চলবে?
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছর এখন পর্যন্ত ৫৫৬ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার মধ্যে চলতি মাসে কেনা হয়েছে ৭ কোটি ডলার।
আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই অনেকটা বেপরোয়া বিদেশি ঋণে ঝুঁকেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব–ঘাটতির কারণে বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ানোয় বিদেশি ঋণের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে।
বিদায়ী অর্থবছর সেবা খাতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় সরকারি বিভিন্ন সেবা ও পরিবহন সেবা থেকে এসেছে।
সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের পাঁচ ধরনের নির্বাচন চলতি অর্থবছরেই সম্পন্ন করার পরিকল্পনা সরকারের। মৌলভীবাজারে এক কর্মসূচি শেষে এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭২২ টন পণ্য আমদানি হলেও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭ টনে দাঁড়ায়। একই সময়ে রপ্তানিতেও বড় পতনের তথ্য উঠে এসেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মাদক নির্মূল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে আলোচনা করা হয়।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছেন।
সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ৪৬টি কাস্টমস স্টেশন দিয়ে ১৫ কোটি ৮৬ লাখ টন পণ্য আমদানির মধ্যে শীর্ষ ১০ পণ্যই ৯ কোটি ৯৮ লাখ টন। পরিমাণের হিসাবে আমদানি হওয়া প্রতি ১০০ কেজির প্রায় ৬৩ কেজিই এই ১০ পণ্য—যেখানে শিল্পের কাঁচামাল, জ্বালানি ও অবকাঠামো নির্মাণের উপকরণ প্রাধান্য পেয়েছে।