নিমা ইউশিজের কবিতা
তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—
তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—
লেনিনগ্রাদে থাকাকালে তিনি কলেজে ভর্তি হন এবং পরে বহিষ্কৃত হন। কারণ ছিল তাঁর ‘সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তার অভাব’।
সামনে যানজট যেন হামাগুড়ি দিয়ে এগোয়, লোকজন একে অপরকে গালাগালি করে আর গাড়ির হর্নের শব্দ আকাশ ফুঁড়ে এয়ার-রেইড সাইরেনের মতো বেজে ওঠে।
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।
ইয়োশিয়া নিজেকে প্রশ্ন করে। আমি কি এমন কোনো বন্ধন নিশ্চিত করতে চাইছি, যা আমাকে এখন এখানে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে?
সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।
বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে
গবেষকেরা মনে করেন, ‘ফ্রাঙ্কের কবিতা হলো মুহূর্তের স্ন্যাপশট, যেখানে একত্রে মিশে গেছে নানা নৈমিত্তিক ভাবনা আর দৈনন্দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।’
প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।
যেদিন আমরা কাপ জিতলাম, আমার মনে আছে, সে রাতে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমার প্রেমিকার সঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে যে খেলাটা খেলছি সেটা ক্লান্তিকর অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে, খেলাটায় আমরা এরই মধ্যে হেরে গেছি।
‘আমার অন্তরে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, না কোনো বই কিংবা আইনে এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি।’
আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।