ইসরায়েলিদের চোখে যুদ্ধে ‘জয়ী’ হয়েছে ইরান
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।
‘ছাতার অবস্থাখানা জরিমানা-দেওয়া/মাইনের মতো,/ বহু ছিদ্র তার’—রবি ঠাকুরের ‘বাঁশি’ কবিতার হরিপদ কেরানির মতোই তাঁর ছাতাখানার দশা। তাই খুব বেশি চড়া রোদ না হলে মেলে ধরেন না।
লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে সম্প্রতি নতুন হুমকি তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ভিডিও ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের হুমকিকে ভয় পায় না ইরান।
২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন একটি সমঝোতায় সই করেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে লেখক বেহরুজ ঘামারি–তাবরিজি দেখছেন, বাইরের আক্রমণে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতনযোগ্য নয়। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বোমাহামলা যুদ্ধও একই ভুল পুনরাবৃত্তি করছে। ইরানিরা বুঝেছে, রাষ্ট্রের পাপের জন্য জাতীয় শাস্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে চলছেন।