
নারী ভোটারের হাতেই কি হার হলো জামায়াতের
২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যারা এর আগের কোনো জাতীয় নির্বাচনে ১৭টির বেশি আসন পায়নি, তারা এবার জোট বেঁধে ৭৭টি আসন দখল করেছে।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যারা এর আগের কোনো জাতীয় নির্বাচনে ১৭টির বেশি আসন পায়নি, তারা এবার জোট বেঁধে ৭৭টি আসন দখল করেছে।

জামায়াতে ইসলামী সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে আরেকটি জুলাই তৈরি হবে।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

রাজধানীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৭টিতে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট যে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।

শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।

যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত মৌলিকভাবে একমত হয়েছে।

জামায়াত আমিরের বাসায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মিত্ররা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ভোটে জয়ী বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হামলা চালাচ্ছেন বলে দলটির অভিযোগ।

সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই জামায়াতের আমিরের বাসায় গেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান।