মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে কীভাবে ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নজিরবিহীন এক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নজিরবিহীন এক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় নড়ে উঠেছে ফুটবল বিশ্বও। অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ ও ফিনালিসিমা নিয়েও।
তেহরান, তাবরিজসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অনেক এলাকাতেই বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আরও হামলার আশঙ্কা।
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনিরা সম্পত্তির মালিক হলেও তা উন্নয়নের অনুমতি পান না।
গাজায় যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলে ভারতের অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা বন্ধে পদক্ষেপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর কাছে পাঠানো ফাঁস হওয়া চিঠিতে কড়া হুঁশিয়ারি।
ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ দিতে বেন-গভিরকে সশরীর দূতাবাসে উপস্থিত হতে হবে বলে মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে।
গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া দেশটিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভি ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন। সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাগত জানান তাঁকে।
ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।
মার্কো রুবিও জানান, মোজতবা খামেনির সব যোগাযোগ এ পর্যন্ত লিখিতভাবে ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হচ্ছে।
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।