
পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি
পর্যাপ্ত লোকবল, বাজেট ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বোটানিক্যাল গার্ডেনের যে করুণ দশা সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক।

পর্যাপ্ত লোকবল, বাজেট ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বোটানিক্যাল গার্ডেনের যে করুণ দশা সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক।

স্থানীয় উৎপাদকদের মূল অভিযোগ হলো, শুল্ক নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে। তাঁরা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রসাধনী খাতের কর ও শুল্ককাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

আজ রোববার রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ মিলনায়তনে বাজেট নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ হিউম্যান রিসোর্স অর্গানাইজেশনস (এফবিএইচআরও) ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি আয়োজিত বাজেট আলোচনায় এই দাবি করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রধান ফটক পেরোলেই স্নিগ্ধ এক পরিবেশ। কিন্তু একটু ভেতরে গেলেই চোখে পড়ে অযত্নের ছাপ। বাজেট ও লোকবলের অভাবে হুমকিতে ৬০০ প্রজাতির উদ্ভিদসহ এই জীবন্ত পাঠশালার জীববৈচিত্র্য।

পিপিআরসি চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার উত্তরাধিকারের সংকট, জ্বালানি অস্থিরতা এবং জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

একটু পরিকল্পনা করলে সিউল, বুসানসহ দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক দর্শনীয় স্থান তুলনামূলক বাজেটের মধ্যেই ঘুরে দেখা সম্ভব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পোস্ট-আপ্রাইজিং ইকোনমি অ্যান্ড জিওপলিটিকস অব বাজেট, রেমিনিসিং দ্য লেগাসি অব এম সাইফুর রহমান’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ময়মনসিংহে ‘তারুণ্যের বাজেট ভাবনা ও গণভোট বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই বছরের কথা বলে আসছি। এর মধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। কত প্রবৃদ্ধি হলো এ ইতিহাস বলে লাভ নেই। সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো সেটিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’

এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘বিনিয়োগ পরিবেশ এখন একটি ভাঙা ঘর। এই বাড়ি মেরামত না করে যদি আমরা ভাড়াটে বা বিনিয়োগকারী খুঁজতে যাই, তবে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাবে।

অনুষ্ঠানে সিমিন রহমান বলেন, আমদানিপর্যায়ে যে ৫ শতাংশ এআইটি কাটা হয়, তা এনবিআর থেকে কখনোই ফেরত পাওয়া যায় না। আমরা প্রস্তাব করছি এটি কমিয়ে ৩ শতাংশে আনা হোক।