
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ‘বিজয়’ নাকি বিপর্যয়ের শুরু?
যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা।

দিন দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এভাবে কত দিন রুমের মধ্যে বসে থাকতে হবে, জানি না। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, বুঝতে পারছি না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।

ইন্টারনেট নেই বললেই চলে। আগে থেকেই একটি ভিপিএন প্যাকেজ কিনে রেখেছিলাম। দিনে দু–একবার সংযোগ পাওয়া যায়। তখনই জরুরি যোগাযোগগুলো সেরে নেই।

বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অর্ধশতকের কৌশল মেনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ বা বিভক্ত করছে।

কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। একটু আগেই যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটার সঙ্গে যে আমার ভাইয়ের নামও জড়িয়ে যাবে, কল্পনাও করিনি।

এই হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনে নয়। এই পরিকল্পনা বহু আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল তেল আবিবে।

যুদ্ধের নতুন ধাপ শুরু ইসরায়েলের। ইরানের সরকারি অবকাঠামো ধ্বংসে জোর। বি-টু বোমারু বিমান থেকে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের।