ক্রিপ্টো ব্যবসায় ট্রাম্পের লাভ হলেও অন্যদের লোকসান
ট্রাম্পের মিমকয়েনের দাম ৯৭ শতাংশ কমলেও লেনদেন ফি ও টোকেন বিক্রি থেকে শতকোটি ডলার আয় করেছেন তিনি। বিপরীতে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী গুনেছেন লোকসান।
ট্রাম্পের মিমকয়েনের দাম ৯৭ শতাংশ কমলেও লেনদেন ফি ও টোকেন বিক্রি থেকে শতকোটি ডলার আয় করেছেন তিনি। বিপরীতে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী গুনেছেন লোকসান।
বাংলাদেশ এখনো নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ। নিম্ন, নিম্নমধ্যম, উচ্চমধ্যম ও উচ্চ আয়—কোন দেশ কোথায় থাকবে, তা ঠিক করে বিশ্বব্যাংক, পাশাপাশি ঋণের শর্ত ঠিক হয়।
২৫ শতক জমিতে ৩৬ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ ও চারা উৎপাদন করছেন জুয়েল। মাসে তাঁর আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে সাইফুর এ পর্যন্ত আয় করেছেন প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় যা কোটি টাকার ওপর)।
মঙ্গলবার ‘ব্লকবাস্টার টিউজডে’ টিকিট অফারের পুরো সুবিধা নিয়েছে ছবিটি। ফলে আহমেদ খান পরিচালিত ছবিটি সোমবারের তুলনায় এদিন আরও বেশি আয় করেছে।
প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।
সেমিনারে বক্তারা জানান, ১০টি মাঝারি আকারের বোটের একটি বহর বা ফ্লিট দিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য আহরণ করলে বছরে ৭৮ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এ জন্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকার প্রাথমিক বিনিয়োগ লাগবে।
কর্ণফুলী টানেলে প্রতিদিন টোল থেকে গড়ে যে আয় হয়, তার দ্বিগুণ ব্যয় হয় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণে—জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
যেসব সরকারি কর্মচারী নিয়মিত আয়, ব্যয় ও সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই শর্ত সাপেক্ষে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করার পরামর্শ।
শেরপুরের গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক ঘাসভিত্তিক দেশি গরু পালন সীমান্ত এলাকার শতাধিক খামারির আয় বাড়িয়েছে। কম খরচে লাভ হওয়ায় বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি।
করোনায় চাকরি হারিয়ে গ্রামে ফিরে লবণাক্ত জমিতে সরজান পদ্ধতিতে সমন্বিত খামার গড়ে তুলেছেন ঝালকাঠির নাজমুল ইসলাম। পেয়ারা, মাছ ও সবজি মিলিয়ে এখন তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ছয় লাখ টাকা।
এভাবে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক চৈতন্যের বনিয়াদে। দেশ-কালের বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সে আয় করে নেয় তেজোদ্দীপ্ত উচ্চারণভঙ্গি। তৎসম শব্দ, স্বর ও ব্যঞ্জনের সুরেলা বিন্যাস আর সামষ্টিক জনতার কোরাসসম উচ্চারণে নিষ্পন্ন হয় তার নান্দনিক বিশিষ্টতা। উত্থিত জনতার লিপ্ত আবেশে গড়া যুগের সবল অভিব্যক্তি থেকে সে শুষে নেয় মুক্তির প্রকল্প। যুগসত্য থেকে ছেনে নেওয়া বলেই মুক্তির এ বার্তা এত তীব্র, কার্যকর আর সামঞ্জস্যপূর্ণ। শতবর্ষে এসে নিশ্চিন্তে বলা যায়, বাংলাভাষীরা আরও বহুকাল ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিত্য বর্তমান শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যবহার ও ভোগ করতে থাকবে।