একের পর এক শিশুর মৃত্যু, নার্সই কি দায়ী? সাড়া ফেলল নতুন তথ্যচিত্র
নেটফ্লিক্সের নতুন তথ্যচিত্র ‘দ্য ইনভেস্টিগেশন অব লুসি লেটবি’ আবারও প্রশ্ন তুলেছে—আদৌ কি তিনি দোষী, নাকি ভুল বিচারব্যবস্থার শিকার?
নেটফ্লিক্সের নতুন তথ্যচিত্র ‘দ্য ইনভেস্টিগেশন অব লুসি লেটবি’ আবারও প্রশ্ন তুলেছে—আদৌ কি তিনি দোষী, নাকি ভুল বিচারব্যবস্থার শিকার?
শুধু পানি ঢাললেই সবকিছু সিঙ্ক দিয়ে নিরাপদে চলে যাবে, এমন ভাবা ভুল। সিঙ্ক ব্লক হলে মেরামতের খরচ কয়েক হাজার টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ক্যানসার হঠাৎ হয় না। এটি ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে শরীরের ভেতরে গড়ে ওঠে। তাই শরীরের কিছু সতর্কসংকেত অবহেলা করা মারাত্মক ভুল হতে পারে।
স্বাধীনভাবে করা শিক্ষাগত মূল্যায়ন দেখিয়েছে, পরীক্ষার নম্বর আর শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতার মধ্যে ফারাক ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নম্বর বা গ্রেড শিক্ষাব্যবস্থাকে ভুল বার্তা দিচ্ছে এবং প্রকৃত অবস্থাটা আড়াল হয়ে যাচ্ছে।
অতিরিক্ত যত্ন আর নিয়ন্ত্রণ সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে—নিজে শেখা, ভুল করা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কেড়ে নেয়। আর তখনই তা হয়ে ওঠে ওভারপ্যারেন্টিং।
কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের গুরুতর সমস্যার চিকিৎসার জন্য তাঁকে গোপনে হাসপাতালে নেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি তথাকথিত ‘হাইব্রিড সরকারের’ আরেকটি বড় ভুল।
এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।
বাংলাদেশে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার বা সিজারিয়ান সেকশনের হার যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাকে কেবল ‘উদ্বেগজনক’ বললে ভুল হবে; এটি এখন একটি জাতীয় স্বাস্থ্যসংকটে রূপ নিয়েছে।
চীন দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন, এসব মন্তব্যে ‘ভুল-শুদ্ধ’ গুলিয়ে ফেলা হয়েছে আর এর পেছনে স্পষ্টভাবেই ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।
প্রস্রাব পরীক্ষা করার জন্য নমুনা দেওয়ার সময় সঠিক দিকনির্দেশনা না জানার কারণে রিপোর্ট ভুল বা অসমাপ্ত আসে।
ব্যক্তিগত সম্পর্কে আবেগ গভীর থাকবে, তবে প্রত্যাশা স্পষ্ট না হলে ভুল–বোঝাবুঝি হতে পারে। তাই খোলামেলা কথা বলাই শ্রেয়।
শরীরে ভুল গ্রুপের রক্ত দেওয়ায় ভোলায় এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, ‘ও’ পজিটিভ রক্তের পরিবর্তে কোনো ধরনের পরীক্ষা ও ক্রস ম্যাচিং ছাড়াই ‘বি’ পজিটিভ রক্ত পুশ করায় ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়।