ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিলেন ট্রাম্প, কারণ কী
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হংকংয়ে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জাল পণ্য বিক্রির অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে দুই কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য।
মেলায় হ্যান্ডিক্রাফট, খেলনা, প্রসাধনী, সাজসজ্জার সামগ্রী, বাঁশ ও কাঠের তৈরি পণ্য, বেতের জিনিস, মাটির পাত্র, লোহার সামগ্রীসহ গৃহস্থালির নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার দিয়ে আধুনিক বাথটাব, জ্যাকুজি ও প্যানেল ট্যাংক তৈরি করবে। পাশাপাশি এসব পণ্য তৈরির জন্য সব ধরনের ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার কম্পোজিট পণ্য ও অ্যাকসেসরিজ, মোল্ড ও প্যাটার্ন তৈরি করবে। জাহাজ নির্মাণ ও ক্রুজশিল্পে এসব পণ্যের বড় চাহিদা রয়েছে।
চুক্তিটির আওতায় ইন্দোনেশিয়া ৯৯ শতাংশের বেশি মার্কিন পণ্য আমদানিতে বাণিজ্যিক বাধা কমাবে। সেই সঙ্গে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মার্কিন পণ্য কেনার ব্যবস্থা করবে ইন্দোনেশিয়া।
দিনাজপুরে মঙ্গলবার থেকে সুলভ মূল্যে টিসিবির পণ্য সরবরাহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত জেলায় ২৫-৩০টি স্থানে পণ্য সরবরাহ করা হবে।
পেঁপের নল, শজনের ডাল-পাতা, নারকেলের ছোবড়া, আম ও নিমগাছের চিকন ডাল এবং পাকচং ঘাস দিয়ে তৈরি হচ্ছে পোষা প্রাণীর খাবার, পোশাক ও খেলনাসহ ৪০০ ধরনের পণ্য—যা রপ্তানি হচ্ছে জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ায়।
একটি জাহাজ বছরের পর বছর সমুদ্রে চলে। পণ্য, তেল কিংবা গ্যাস বহন করে এক বন্দর থেকে আরেক বন্দরে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে মেরামত ও পরিচালনার খরচ বাড়তে থাকে। একসময় জাহাজটি আর চালানো লাভজনক থাকে না। তখন সেটি বিক্রি হয় ভাঙার জন্য।
হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পণ্য পাঠিয়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এড়িয়ে যাচ্ছে এবং এ কাজে ৪০টির বেশি দেশ সহায়তা করেছে। তবে চীনা পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে; এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য উত্তেজনা চলছেও।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭২২ টন পণ্য আমদানি হলেও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭ টনে দাঁড়ায়। একই সময়ে রপ্তানিতেও বড় পতনের তথ্য উঠে এসেছে।
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের বড় শিল্পগোষ্ঠীর নিত্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলো বন্ধ বা অর্ধচলমান হয়ে পড়েছে, যার ফলে বাজারে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গুদামে মজুত থাকা পণ্য আপাতত সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সরবরাহ–সংকট তৈরি হয়নি।