
যেসব পোশাক ভুলেও ওয়াশিং মেশিনে দেবেন না
আমরা অনেকেই সময় বাঁচাতে প্রায় সব ধরনের কাপড়ই চোখ বন্ধ করে ওয়াশিং মেশিনে দিয়ে দিই। কিন্তু কিছু কাপড় মেশিনে ধোয়া মানেই স্থায়ী ক্ষতি।

আমরা অনেকেই সময় বাঁচাতে প্রায় সব ধরনের কাপড়ই চোখ বন্ধ করে ওয়াশিং মেশিনে দিয়ে দিই। কিন্তু কিছু কাপড় মেশিনে ধোয়া মানেই স্থায়ী ক্ষতি।

কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।

কেরামতের জন্ম হয়েছিল দারিদ্র্যের ভেতর, কিন্তু সে দারিদ্র্যকে কখনো ক্ষমা করেনি। প্রথম খুন করেছিল বিশ বছর বয়সে। সেদিন রাতে সে বমি করেছিল অনেক। এখন আর করে না।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আমরা একটি অসাধারণ একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করব। যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেব, অন্যকে ভোট দিতে বাধা দেব না।’

চিটাগাং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) তৃতীয় সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) বলেছেন, ‘বড় ধরনের উত্তরণের পথে আমরা রয়েছি রাজনৈতিকভাবে। কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়; সেটি আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।

২০২৬ সালে কিছু চ্যালেঞ্জ এমনভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা আমাদের জীবন, কাজ ও সমাজের ধরনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে।

জিয়ার সময়ে গৃহীত খাল খনন, নদী পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ কিংবা আন্তর্জাতিক পরিসরে পানির অধিকার নিয়ে তাঁর অবস্থানকে নিছক অতীতচর্চা বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বরং এই অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের বর্তমান সংকটের শিকড় যেমন দেখায়, তেমনি সমাধানের দিকনির্দেশনাও দেয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের একটি আসনে প্রার্থী সরিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

সাধারণত এসব গল্পের কথক হয়ে থাকেন নারী, অর্থাৎ মা-খালা-ফুফু ও দাদি-নানি। মজার ব্যাপার হলো, আমার ক্ষেত্রে গল্প শোনানো মানুষটি ছিলেন আমার বাবা।

আজ আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মানুষের চিন্তা অনুকরণ করছি, মঙ্গলগ্রহে বসতি গড়ার স্বপ্ন দেখি, অথচ পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনো ভোট দিয়ে ক্ষমতা বদলাতে পারে না। প্রযুক্তি উড়ছে, গণতন্ত্র হাঁটছে, আর মানবাধিকার অনেক জায়গায় এখনো হামাগুড়ি দিচ্ছে।

সব সরকারের আমলেই পত্রিকাটি থাকে সরকারের অপছন্দের তালিকায়, মুক্তকণ্ঠ সরকারি বিজ্ঞাপন পায় না, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রবেশ বঞ্চিত থাকে। কারণ, মুক্তকণ্ঠ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে।