ইরান যুদ্ধে কি মার্কিন আধিপত্যের অবসান ঘটতে চলেছে
লেবাননে যখন ইসরায়েলের বোমা ঝরছিল, তখনই বিশ্বের অনেক দেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল একটি খবরে।
লেবাননে যখন ইসরায়েলের বোমা ঝরছিল, তখনই বিশ্বের অনেক দেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল একটি খবরে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় প্রায় ৮০ শতাংশ অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে চলছেন।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম অস্থির, দেশে আমদানি খরচ বেড়ে লোকসান হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। যুদ্ধবিরতিতে দাম কমলেও অনিশ্চয়তায় আবার বেড়েছে। সুফল পেতে সময় লাগবে বলছেন খাতের সংশ্লিষ্টরা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর্দার আড়ালে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের ওপর চাপ দিয়েছিল। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, জ্বালানি দাম বাড়া এবং ইরানের প্রতিরোধ ট্রাম্পকে উদ্বিগ্ন করেছিল। পাকিস্তান মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চলছে যদিও বাধা রয়ে গেছে।
এক দিন আগে ট্রাম্প ইরানকে বোমা মেরে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন
যুক্তরাষ্ট্র খারগসহ ইরানের বেশ কিছু দ্বীপ দখলে স্থল অভিযান চালাতে পারে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা হামলা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঝুঁকিগুলোকে আমূল বদলে দিয়েছে।
ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডাররা দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের এই ড্রোন বিপ্লবের গুরুত্বকে উপেক্ষা করে আসছিলেন।
বৈঠকে ব্রিটেনের সাধারণ পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে।
ইরানের ড্রোন কৌশলের পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী।