
ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর চাল, যুক্তরাষ্ট্র ফাঁদে
ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর চাল, যুক্তরাষ্ট্র ফাঁদে

ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর চাল, যুক্তরাষ্ট্র ফাঁদে

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মুখে ইরানি সামরিক বাহিনী তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করছে।

ইরানকে কয়েক দিনের যুদ্ধে পরাভূত করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এখন ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানের জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল।

ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।

চুক্তির বাইরে ভারত থেকে বাড়তি তেল আনার প্রস্তাব। কম দামে ডিজেল আনতে দরপত্র ছাড়া তেল কেনার চিন্তা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিপিএস জ্যামিং ইউরোপে বিমান চলাচলে প্রভাব ফেলেছে, এমনকি ইউক্রেন যুদ্ধের এটি একটি নিয়মিত অনুষঙ্গ।

ট্রাম্প কখনো সমঝোতার কথা বলছেন, আবার কখনো ইরানকে ধ্বংস করার কথা বলছেন। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে না, যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী চাইছে।

টিকতে চায় ইরান, বাড়বে তেল সংকট

গত কয়েক দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই যুদ্ধ কতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্মানজনক এবং উন্মত্ততার সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ ‘এখনো শেষ হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন নেতানিয়াহু।

এই প্ল্যান্টগুলো যদি হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়, তাহলে কী হবে তা নিয়ে এখনও তেমন কোনো আলোচনা শোনা যাচ্ছে না।

মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম গত দুই দশকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের সব যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন।