জ্বালানি-সংকট মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কার তিন দিন সাপ্তাাহিক ছুটি, আরও যা করছে এশিয়ার দেশগুলো
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে কৃচ্ছ্রসাধনমূলক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে কৃচ্ছ্রসাধনমূলক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি খুললেও বৈশ্বিক তেলবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। মজুতের সংকট, সরবরাহে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি সংকট ও তেলের ঘাটতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানিবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক দেশ তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পুরোদমে জ্বালানি তেল সরবরাহ জুন মাসের শেষে শুরু হবে।
রাজশাহীর কাটাখালীতে মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন গাড়ির কাগজ যাচাই করে দুই রঙের টোকেন দিয়ে তেল বিতরণ করছে। এতে লাইনের ভিড় কমেছে, শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে দাবি মালিকের। গ্রাহকেরাও ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট।
চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। ফলে বেশি দামে বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রায় ছয় হাজার লিটার ডিজেল মজুত করেছেন এক ব্যবসায়ী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে এসব জ্বালানি জব্দ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও নগর পুলিশের একটি দল।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ উভয় সংকটে ফেলেছে জাপানকে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানাচ্ছে ইরানে হামলায় যোগ দিতে; অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান তেল সরবরাহ বন্ধ করায় ভুগতে হচ্ছে জাপানকে। যুদ্ধে না জড়িয়ে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায়ই সংকট উতরে যেতে চাইছে টোকিও।
লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও জ্বালানি মজুতদারদের কারণে নাগরিকরা কষ্ট পোহাচ্ছেন। বোরো চাষে সেচের জন্য ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারকে কঠোর নজরদারি ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়াতে হবে।