‘কিচেন কেবিনেট’ ছিল, আমি সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই করা বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে কেউ এনসিপির মতামত নেয়নি।
আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই করা বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে কেউ এনসিপির মতামত নেয়নি।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির প্রতিশ্রুতি কে না দিয়েছেন। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ তাঁদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব—সবাই তিস্তার পানিচুক্তি হবে মর্মে আশ্বস্ত করেছেন।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে করা দুটি বাণিজ্যচুক্তির কারণে দেশের প্রাণবৈচিত্র্যজগতে নতুন সংকট, ঝুঁকি ও হুমকি তৈরি হলো কি না, তা নিয়ে লিখেছেন পাভেল পার্থ
পার্বত্য অঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বা ভিন্ন কোনো নেতিবাচক আঙ্গিকে না দেখার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের উপ-মিশন প্রধানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল জাতীয় সংসদের চিফ হুইপের সঙ্গে বৈঠকে গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিতে ‘গোলামির চরিত্র’ প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
অন্যান্য ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যেমন অনেকটা খালি হাতে ফিরতে হয়েছে, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ একটি এমওইউ সই করেছে। ওয়াশিংটনে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন। এটি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে।
বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নির্বাচনে সাফল্য এনেছে, কিন্তু বৈষম্য, দুর্নীতি ও বিদেশি চাপের বাস্তবতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের চাপ অগ্রাহ্য করে সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব কি? মার্কিন শুল্কচুক্তির মতো বিষয়ে সরকারের অবস্থান জনগণ জানতে চায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ফেডারেশন মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিল, হাম প্রতিরোধ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে সমাবেশ করেছে। সরকার ও বিরোধী দলের নীরবতার কারণ জানতে চায় সংগঠন। হামে শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সীমান্ত হত্যার জবাবদিহিরও দাবি তোলে তারা।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহের উর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, বরং পর্যালোচনা করে নেগোসিয়েশনে যাওয়া হবে। চুক্তিতে ৬০ দিনের নোটিশে বাতিলের সুযোগ থাকলেও তারা পর্যালোচনার পথ বেছে নিতে চান। সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পর থেকে স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রক্রিয়া ভারত সক্রিয় করছে। ভারত কোনো দলের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সমর্থন করেনি, সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। শেখ হাসিনার দিল্লি অবস্থান এই সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না।