
দলগুলোর ইশতেহারে উপেক্ষিত সংখ্যালঘুরা
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

এপস্টেইন অভিজাতদের ভোগবিলাসকে শুধু ব্যবহার করেননি। তিনি সেটিকে অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন। অধিকারবোধকে চাপের উপকরণে, বাড়াবাড়িকে দুর্বলতায়, আর বিশেষাধিকারকে ফাঁদে রূপান্তর করেছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির শরিক দলের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন। ভোট দেওয়ার পর গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন।

রংপুর–৩ আসনে হিজড়া প্রার্থী আনোয়ারা ইসলাম পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে সংসদে যেতে চান।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচন ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের বদল এসেছে। বিএনপির আসন সমঝোতার প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

শিক্ষার পরিচালনায় বিকেন্দ্রীকরণ দরকার। শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়াতে হবে, সমতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

গত ২১ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি জনগণের শান্তি, স্বস্তি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের ২৫ দফার ইশতেহার প্রকাশ করে। এতে জাতি-ধর্ম-লিঙ্গ-বিশ্বাস-শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে মানুষের জীবনের শান্তি-স্বস্তি–নিরাপত্তার সংকটগুলোকে চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক’

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, ...তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি; বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস ও জনগণের অধিকার হরণ করেছে।’

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জহির রায়হান বাংলাদেশের সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। মাত্র ৩৭ বছরের জীবন পেয়েছিলেন।