মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় প্রথম দুই সপ্তাহেই ৮০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।
পশ্চিম ইউরোপের অভিজাতরা এখন আরও বেশি সতর্ক এবং আরও বেশি আপসকামী হয়ে উঠেছে।
পাল্টাপাল্টি হামলা সত্ত্বেও ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ছয়টি দেশ। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরও উভয় পক্ষের ভেতরে আলোচনার কথা উঠছে—তবে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা হবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।
মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ‘জুজুৎসু’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে অভাবনীয় ছাড় আদায় করেছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলই এখন তার বিরুদ্ধে ফিরে আসছে। এটি ২০১৫-এর পারমাণবিক চুক্তির চেয়েও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
এক তরুণী কথা বলতে রাজি হন। চীন থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছেন তিনি। জানান, যুদ্ধের কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতেই দেশে এসেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।