যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ : বাড়ছে তেলের দাম, লেবাননে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে মানুষ
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম
এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের মধ্যে কয়েক মাস ধরে সীমান্তে থেমে থেমে সংঘর্ষ হচ্ছিল।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পেরিয়ে গেছে। ক্রেমলিন ড্রোন, পদাতিক বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র ও সাঁজোয়া যান দিয়ে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তার সমান্তরালে তারা অর্থনৈতিক ধ্বংসও চালিয়েছে।
ইরানের ওপর হামলা বা গুপ্তহত্যা চালানো হলে দেশকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নেবেন জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান।
গত মাসের শেষের দিকে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
অতীতেও বিভিন্ন সময় মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে উত্তেজনার সময় অঞ্চলটিতে বাড়তি বাহিনী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে যা বলল ইরান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এমন বড় যুদ্ধ আর দেখেনি। একই সঙ্গে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রতিরক্ষা খাতের কোম্পানিগুলো প্যাট্রিয়ট ও টমাহকসহ বিভিন্ন অস্ত্রের নতুন কারখানা তৈরি করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনুমোদিত ‘বোর্ড অব পিস’ গাজা যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফার একটি রূপরেখা প্রকাশ করেছে, যেখানে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হয়েছে। হামাস এতে সম্মতি জানালেও ইসরায়েলের নীরবতায় বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।