বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে না সরিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হলে পাকিস্তানও টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।
বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে না সরিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হলে পাকিস্তানও টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার, যা বর্তমানে একটি চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার এর আগে জানিয়েছিল, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে, তাহলে পাকিস্তানও এই বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে।
নয়া দিল্লিতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সহায়ক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভারতকে তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ।
সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার দায় সরকারের উপর চাপিয়েছেন। তিনি বিশ্বকাপে খেলার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন এবং ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ক্রিকেটাররা কেউ খেলতে যেতে চাননি।
ভারতের সাম্প্রতিক ‘তেলাপোকা’দের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গত চার বছরের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশ বড় ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের সাক্ষী হলো। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলন সরাসরি সরকারের পতন ঘটিয়েছে। ভারতে সে তুলনায় কেবল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্য দিয়েই আন্দোলনের ইতি ঘটেছে।
নারী-শিশুসহ ১৩ জনকে যশোরের শার্শা উপজেলার সাদিপুর গ্রামের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। কঠোর নজরদারির কারণে তারা প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
দেশের মানুষ ভারত বা আমেরিকার গোলাম হয়ে থাকতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন মুক্তি চায়। কোরআনের শাসন দেখতে চায়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজ
২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে না বাংলাদেশ। সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে নেওয়ার কথা জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।