
চোরাই পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ইসলামের বিধান
বর্তমান সময়ে বাজারে, বিশেষ করে অটোমোবাইল বা গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে অনেক সময় অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর উৎস নিয়ে জনমনে সংশয় থাকে।

বর্তমান সময়ে বাজারে, বিশেষ করে অটোমোবাইল বা গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে অনেক সময় অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর উৎস নিয়ে জনমনে সংশয় থাকে।

দেখা যায়, মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সন্তানদের মাঝে জমি বা সম্পদ বণ্টন করে দিতে চান। এক্ষেত্রে সাধারণ প্রবণতা হলো মিরাসের নিয়মে ছেলেকে মেয়ের দ্বিগুণ দেওয়া।

মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি এই ‘দেওয়া-নেওয়ার’ ভারসাম্য জরুরি হয়, তবে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী হওয়া উচিত?

ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।

মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।

আমাদের মসজিদগুলো কি কিশোর ও তরুণদের জন্য যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ? তারা কি মসজিদে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, নাকি সেখানে বড়দের ‘চুপচাপ থাকার’ নির্দেশ তাদের নিরুৎসাহিত করছে?

দাম্পত্য জীবনে ভাঙন কেবল বড় কোনো অনৈতিক কাজের কারণেই ঘটে না, বরং দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কিছু আচরণ ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের পথ প্রশস্ত করে।

খুব বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। ছোট ছোট কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপই আমাদের পরিবার, সমাজ ও প্রতিবেশের মধ্যে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে।

আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।

ককেশাস অঞ্চলের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মস্কোর বর্তমান যে সামরিক সমীকরণ, যার প্রতিচ্ছবি আমরা ইউক্রেন যুদ্ধে চেচেন যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ থেকে দেখতে পাই, তার বীজ আছে ইতিহাসে।

আল্লাহকে চেনার এই আদিম আগ্রহ থেকেই মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রশ্ন করে আসছে, আল্লাহ কোথায় আছেন? তিনি কি আমাদের খুব কাছে, নাকি অনেক দূরে?