ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪২টি বিমান হারিয়েছে: মার্কিন প্রতিবেদন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি সীমিত, মিত্রও কম। কিন্তু তাদের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তারা অন্যদের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়ে নিজে লাভ করতে পারে।
ইরান সংকটকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। যখন কোনো অঞ্চলে সামরিক শক্তি প্রত্যাশিতভাবে ‘প্রতিরোধক্ষমতা’ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তেল।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কাছে কত দামে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের (আরএএফ) পাঁচটি সি-১৩০ জে সুপার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিক্রি করেছিল, তা জানাতে নারাজ যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওডি)।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ইরান যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা এবং হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, চীন ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম দেবে না। বেইজিংয়ে বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্কতার কথাও বলেছেন সি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপেরই অংশ ছিল এ বিমান হামলাগুলো।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।
চীনের সামরিক শক্তি যত বেড়েছে, বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে নিজের হাতে বেছে নেওয়া জেনারেলদের ওপর সি চিন পিংয়ের আস্থা ততটাই কমেছে।
ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েল ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। ইরাকি সেনারা ঘাঁটির খোঁজ পেয়ে যাওয়ায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়, এক সেনা নিহত হন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯-১১ মে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। এ সময় সামরিক তৎপরতা বন্ধ থাকবে এবং উভয় পক্ষ এক হাজার করে বন্দি বিনিময় করবে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে বলে ট্রাম্প আশান্বিত।
ইরান যুদ্ধে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নিরাপত্তার মিথ ভেঙে পড়েছে। আমেরিকান সামরিক উপস্থিতির উপর নির্ভরশীলতা এখন প্রকাশ করে দিয়েছে জোটের অসমতা। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের হামলা এই বাস্তবতা সামনে তুলে ধরেছে।