শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, বিজয় দাবি তেহরানের
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে চলছেন।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘থাড’-এর কিছু অংশ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নিচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো হলেও এটি কিছু কঠিন সত্য সামনে নিয়ে এসেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত জেডি ভ্যান্স দৃঢ়ভাবে প্রকাশ্য সমর্থন দেননি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্টের দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
যুক্তরাষ্ট্র খারগসহ ইরানের বেশ কিছু দ্বীপ দখলে স্থল অভিযান চালাতে পারে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের কথিত যুদ্ধবিরতি চলছে।
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।
সাদ্দাম হোসেন যখন আক্রান্ত হন তখন মস্কো সেই আক্রমণের বিরুদ্ধে সামান্যতম আপত্তিও তোলেনি। অথচ দশকের পর দশক তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় সপ্তাহের হামলায় বিপর্যস্ত হলেও ইরান দরকষাকষিতে শক্ত অবস্থান দাবি করছে। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের বড় হাতিয়ার। যুদ্ধবিরতির পর নতুন কঠিন দাবি তুলেছে তেহরান।