
অপহৃত হিমে
বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!

নাজিম হিকমতের একেকটা কবিতার লাইন আমাকে একেকটা আলাদা জীবন দান করেছে। আমি কী করে যে তাঁর সামনে যাই! তাঁর প্রিয় কে জানি না, আমার প্রিয়তম তিনি।

তবু বেঁচে আছে জীবন কারণ, এখনো না–বলা রয়ে গেছে অনেক কিছু।

প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

এই বইমেলা গতানুগতিক ধাঁচের বইয়ের নয়। নেই গল্প–উপন্যাস–কবিতার সম্ভার। এই মেলা যুক্তি, তর্ক, বিচার, বিশ্লেষণের বই নিয়ে। নাম ‘নন-ফিকশন বইমেলা।’

আসলেই আমি অকর্মা, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...

যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত

ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।

কালপুরুষ রোহিণী শ্রবিষ্ঠা রেবতী আমার ঘরে ঢুকে পড়ে, মনোযোগী শ্রোতার ন্যায় বসে থাকে, মাঝেমধ্যে গলাখাঁকারি দেয়, ভাবখানা এমন, আমরা এসেছি, তবু কথা বলছ না?

এ নিদানে দায় তুমি, কার নামে খোঁজো! সব দায় নিজে নাও, নিজের গরজে।