যাঁর প্রেমে জান্নাত মেলে
রাসুলের প্রতি ভালোবাসা নিছক ভাবাবেগের বিষয় নয়; বরং তাঁর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুবর্তন, জীবনাচরণের প্রতিফলন এবং তাঁর নির্দেশিত পথে নিজেকে সঁপে দেওয়াই হলো প্রকৃত ভালোবাসার প্রমাণ।
রাসুলের প্রতি ভালোবাসা নিছক ভাবাবেগের বিষয় নয়; বরং তাঁর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুবর্তন, জীবনাচরণের প্রতিফলন এবং তাঁর নির্দেশিত পথে নিজেকে সঁপে দেওয়াই হলো প্রকৃত ভালোবাসার প্রমাণ।
উম্মতের জন্য তাঁর হৃদয়ে মমতা, ব্যাকুলতা ও গভীর দরদ ছিল। সামান্য কষ্টে তিনি ব্যথিত হতেন, উম্মত যাতে দোজখের আগুন থেকে রক্ষা পায়, সে জন্য তিনি ব্যাকুল থাকতেন।
যে সময় তিনি পৃথিবীতে প্রথম কদমটি রেখেছিলেন, সেটি ছিল রবিউল আউয়াল মাস এবং চল্লিশ বছর বয়সে এই মাসেই তাঁকে সোপর্দ করা হয়েছিল জগৎশুদ্ধির কাজ।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
‘ইস্তিগফার’ মানে ক্ষমাপ্রার্থনা করা আর ‘তওবা’ অর্থ ফিরে আসা। ‘নাস’ মানে মানব। মানবমাত্রেই ভুল। ‘ইনসান’ মানেও মানব তথা মানুষ, যে কিনা ভুলে যায়।
আল্লাহ আরও বলেন, ‘তুমি এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না।’ (সুরা-৯৩ দুহা, আয়াত: ৯)
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম, নবুয়ত লাভ, ইসলাম প্রচার, হিজরত, মদিনা সনদ, মক্কা বিজয় এবং বিদায় হজসহ তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার...
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবনাচরণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি নিজ হাতে বৃক্ষরোপণ করেছেন এবং সাহাবিদেরও এ কাজে উৎসাহিত করেছেন।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–কে কটূক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা।
জীবন্ত মুজিজা মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ২৬ রমজান দিবাগত ২৭ রমজানের রাতে মক্কার জাবালে নূর পর্বতের হেরা গুহায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে জিবরাইল (আ.)–এর মাধ্যমে সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি নাজিলের সূচনা হয়।