আবুল কাসেম ফজলুল হক স্বপ্ন দেখতেন গণতান্ত্রিক সমাজের
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক জনগণের গণতান্ত্রিক সমাজের স্বপ্ন দেখতেন। তিনি ছিলেন আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক জনগণের গণতান্ত্রিক সমাজের স্বপ্ন দেখতেন। তিনি ছিলেন আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে।
রাজবাড়ীর কালুখালী স্টেশনে ট্রেনের তৃষ্ণার্ত যাত্রীদের মাঝে বিনা মূল্যে ঠান্ডা পানি বিতরণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চটপটি বিক্রেতা মুন্নু শেখ।
সে একদিন গেছে বটে। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। টক-ঝাল-মিষ্টি। আরও কত স্বাদের! আমি আর মসিহউদ্দিন শাকের মিলে সূর্য দীঘল বাড়ীর স্ক্রিপ্ট জমা দিলাম ১৯৭৬ সালে। সরকারি অনুদান পেলাম ১৯৭৭ সালে মাত্র আড়াই লাখ টাকা। নগদ তুললাম ৫০ হাজার। শাকের ইঞ্জিনিয়ারগিরি ছেড়ে দিয়ে তার শ্বশুরের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৪০ হাজার টাকা আনল। আমি মোল্লা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফুলটাইম চাকরি ছেড়ে পার্টটাইম হলাম; উপরন্তু অফিস থেকে ১৮ হাজার টাকা অগ্রিম তুলে এনে দুজন মিলে আদাজল খেয়ে লেগে পড়লাম।
জীবনে বহুবার টমেটোভর্তা খেয়েছি। কিন্তু আজও মনে আছে সেই নির্জন দুপুরের কথা। সাধারণ রন্ধনপ্রণালির অসাধারণ স্বাদের কথা।
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের মান্দারগাঁও উচ্চবিদ্যালয়ের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হীরকজয়ন্তী ও প্রথম পুনর্মিলনীতে অংশ নেন প্রায় ৭০০ প্রাক্তন শিক্ষার্থী। স্মৃতিচারণা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বন্ধু-শিক্ষকদের সঙ্গে পুনর্মিলনে দিনভর ছিল আবেগ আর উচ্ছ্বাসের পরিবেশ।
আশির দশকের মাঝামাঝি। বর্ষাকাল। সন্ধ্যা থেকে অঝোরে বৃষ্টি ঝরছে। আমাদের টিনের ছাউনিওয়ালা বাড়ি।
হাজার বছর ধরে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন উম্মাহর কত মুফাসসির, কত মুহাদ্দিস, কত ইমাম, কত মুজতাহিদ, কত অলি-আউলিয়া! কত কান্না ছড়িয়ে আছে আরাফার বাতাসে!
কারও সঙ্গে আমার পরিচয় নেই, অথচ মনে হচ্ছে এদের আমি জন্মান্তর ধরে চিনি। তুর্কি, চেচেন, তাজিক, আফ্রিকান আর আরবদের অভিন্ন পরিচয়—তারা মুসলিম।
জাতীয় প্রেসক্লাবে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের লেখা পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। অনুষ্ঠানে সরকারি ও বিরোধী নেতারা কারাগারের স্মৃতি শেয়ার করে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। বইগুলোতে কারাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
সেদিন হয়তো আপনার শরীর ছিল ভীষণ খারাপ। বাড়ির সবার জন্য রান্নাবান্না সেরে ছোট্ট আপনার জন্য পরম যত্নে আলাদা একটা পদ তৈরি করেছিলেন আপনার মা।
সংগীতজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সংগঠক সন্জীদা খাতুনের অনেক ছাত্রছাত্রী, গুণগ্রাহী, সাহিত্য ও সংগীত অনুরাগীরা অনুষ্ঠানে সমবেত হয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতিতে তাঁর অবদানের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।