চলতি বছরের শেষে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন সি চিন পিং: ট্রাম্প
২০২৬ সালের এপ্রিলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
২০২৬ সালের এপ্রিলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন সি চিন পিং
তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে আবার একীভূত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ঐতিহাসিক সফরে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক হয়েছে ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’–এ।
যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।
দুই দিনের সফরে আজ সোমবার উত্তর কোরিয়া গেছেন সি চিন পিং
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন।
তাইওয়ান যদি চীনের আক্রমণের শিকার হয়, তবে জাপান যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করার জন্য নিজের প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করতে পারে—সানায়ে তাকাইচির এমন বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া এসেছে ভ্লাদিমির পুতিন ও সি চিন পিং থেকে।
বেইজিং বৈঠকে সি চিন পিং ট্রাম্পকে ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ নিয়ে সতর্ক করেন, যা উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত শক্তির মধ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি নির্দেশ করে। তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি সংঘাতের আশঙ্কা তুলে ধরেন। ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির কথা বলেন।
বেইজিংয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে প্রাচীন গ্রিসের পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধ ও থুসিডাইডিসের ফাঁদ নিয়ে আলোচনা হয়।
ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী
বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠতে পারে। ট্রাম্প বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গে চীনে গেছেন।