
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার মৌসুমি ফল ডেউয়া
একসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতেই একটা-দুইটা ডেউয়ার গাছ দেখা যেত। ফলটি পুষ্টিকর ও ভেষজ গুণসম্পন্ন। এখন তেমন দেখাই যায় না—প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে।

একসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতেই একটা-দুইটা ডেউয়ার গাছ দেখা যেত। ফলটি পুষ্টিকর ও ভেষজ গুণসম্পন্ন। এখন তেমন দেখাই যায় না—প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে।

টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের নদ-নদী ও হাওরে পানি আবার বাড়ছে। গত তিন দিনে ২৪২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা কৃষকদের অবশিষ্ট বোরো ধান তুলতে নতুন বিপাকে ফেলেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

সুনামগঞ্জের হাওরে অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে বোরো ধান, ক্ষীরা ও মরিচির ফসল নষ্ট হয়েছে। কৃষক আবদুল জাহানের ১৬ বিঘা ধানসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতিতে ঋণের বোঝা বেড়েছে। জেলায় মোট ধানের ক্ষতি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাশিমপুরে অসময়ের পানিতে হাজার হাজার কিয়ার ধান তলিয়ে গেছে। কৃষক ইয়াওর মিয়া বলছেন, ‘যেগুলো ধান পেয়েছি, আজ খেতাম না ঋণ দিতাম।’ সারা বছরের খোরাকি ও আয়ের আশা এখন হাহাকারে পরিণত হয়েছে।

সিলেটের লালমাটিয়ায় বিকাশের কর্মকর্তাদের গাড়ি থামিয়ে ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টায় ঘটনাটি ঘটে। মোগলাবাজার থানায় মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে।

সুনামগঞ্জে সকাল থেকেই ছিল ঝলমলে রোদ। আজ বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোদের তীব্রতাও বাড়তে থাকে। টানা বৃষ্টির দুর্যোগ-দুর্ভোগের পর এমন রোদে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কিষান–কিষানিরা।

মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে বন্যার পানিতে পাকা ধান তলিয়ে প্রান্তিক কৃষকেরা চরম ক্ষতির মুখে, খরচও উঠছে না।

খেলাধুলার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার জন্য খুদে ক্রীড়াবিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শহরের মানুষ কিছুটা চিকিৎসা সুবিধা পেলেও গ্রামের অধিকাংশ জায়গায় এখনো ভালোভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছায়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সুনামগঞ্জে আবার বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হওয়ায় হাওরের ধান কাটা ও শুকানো নিয়ে নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা। টানা দুর্যোগের পর দুই দিনের স্বস্তি মিললেও গতকাল শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টেকেনি।

কৃষক আবদুল মালিক (৮৫) হাওরে ২৯ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে ২০ বিঘাই তলিয়ে গেছে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে।

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরে ধানখেত তলিয়ে গেছে। শ্রমিকসংকট ও বাড়তি খরচে বিপাকে কৃষকেরা; প্রাথমিকভাবে শতাধিক হেক্টর ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা।