‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ দাবি করা ট্রাম্প নিজেই এখন যুদ্ধ বাধাচ্ছেন
এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
ট্রাম্প যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়েছেন।
ইরান সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যেই এ বিশাল সামরিক শক্তি জড়ো করা হচ্ছে।
বিশ্বরাজনীতিতে যাঁরা ক্ষমতার কেন্দ্র দখল করে আছেন, তাঁদের ভূমিকা বোঝার ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত তাকাই সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব কিংবা আদর্শিক অবস্থানের দিকে।
ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।
ট্রাম্প তাঁর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে কঠোর সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি সীমিত, মিত্রও কম। কিন্তু তাদের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তারা অন্যদের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়ে নিজে লাভ করতে পারে।
গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সরে আসার ঘোষণা দিলেন। এর মাধ্যমে তাঁর প্রশাসনের গত কয়েক সপ্তাহের নীতিগত বিশৃঙ্খলার অবসান হলো।
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু সামরিক নয়, বিশ্বাস ও শহীদির ধারণার ওপর নির্ভরশীল। বাইরের আঘাত কখনো ইরানের শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ এটি তাদের ‘পবিত্র প্রতিরোধ’-এর গল্পকে জাগিয়ে তোলে। এই প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে শিয়া ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধ ইরানকে টিকিয়ে রাখছে।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
ইরানের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অতিসত্বর বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজগুলো যেখানে সংরক্ষিত রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র সেই নির্দিষ্ট এলাকায় অত্যন্ত শক্তি
জ্বালানি সহায়তা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে কুয়েতের সঙ্গে একটি সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান।