সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ: ডাকসু
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বাতিলে সরকারের সিদ্ধান্তকে ডাকসু স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রমাণ বলছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বাতিলে সরকারের সিদ্ধান্তকে ডাকসু স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রমাণ বলছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারকালীন ২০টি অধ্যাদেশ আইনে না পরিণত হওয়ায় অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। এগুলো সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এর আগে ৮ জুন আপিল বিভাগ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ-সংবলিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আপিল শুনানির জন্য আজকের দিন (১৬ জুন) ধার্য করেন।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আপাতত বিধানসভা ভবনে অফিস করবেন, রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরছে সচিবালয়। ব্রিগেড ময়দানে বাঙালিয়ানায় শপথ গ্রহণ হয়েছে। বিজেপি তৃণমূলের সংস্কৃতি-বিরোধী প্রচারের জবাব দিয়েছে ঐতিহ্য রক্ষায়।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের বিধান এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জারি করা অধ্যাদেশগুলো বাতিল করেছে জাতীয় সংসদ।
হাইকোর্টের সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশসহ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস জানান, সংবিধানের ব্যাখ্যা জড়িত থাকায় আপিল বিভাগেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সমীচীন। বিদ্যমান ১১৬ অনুচ্ছেদ বাতিল ঘোষণায় ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় নির্দেশমূলক রায় প্রকাশিত হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, আপিল না নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর হবে না। রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী মনে করেন, স্থগিতাদেশ না থাকায় রায় এখনই কার্যকর।
‘ইয়াং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ পাসের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি মঙ্গলবার বিবৃতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার ও জুলাই জাতীয় সনদের ঐকমত্য উল্লেখ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের অনুরোধ করেছে।
একইসঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য ১৬ জুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেনসহ সাত আইনজীবীর করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।
বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, ৯ মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর দিন নতুন সরকারের শপথ হতে পারে।