নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ে ৬টি লাভ
প্রতিদিন সকালে চোখ মেলে তাকানো, এক গ্লাস পানি গিলে ফেলার সামর্থ্য, পাশে থাকা প্রিয়জনের মুখ—এসবই আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, যা আমরা প্রায়ই খেয়াল করি না।
প্রতিদিন সকালে চোখ মেলে তাকানো, এক গ্লাস পানি গিলে ফেলার সামর্থ্য, পাশে থাকা প্রিয়জনের মুখ—এসবই আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, যা আমরা প্রায়ই খেয়াল করি না।
মানুষ প্রায়ই নিজের ক্যারিয়ার, স্বাস্থ্য বা মনের শান্তি হারিয়ে একধরনের ‘বার্নআউটে’ ভোগে। এমন কঠিন সময় পার করার জন্য কিছু সহজ অথচ গভীর উপায় পাওয়া যায়।
আমরা কোরআন থেকে কীভাবে বরকত গ্রহণ করব এবং কেনই-বা আমরা নিয়মিত কোরআন পড়া সত্ত্বেও এর আলোয় জীবন আলোকিতা করতে পারছি না।
এআই আমলের গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাদাব্বুর—গভীর ভাবনা, সঠিক নিয়ত, বিচক্ষণতা—এটা এখনো সম্পূর্ণ আমাদেরই কাজ।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের গুরুত্ব ও আবেদন একেবারেই আলাদা। ভোরের সেই স্নিগ্ধ সময়ে নামাজ আদায়ের বিশেষ ১০টি উপহার নিয়ে এই আয়োজন।
সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’
যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।
হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।
প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।
রমজান মাস যেমন ইবাদতের মাস, তেমনি দিনের মধ্যে রমজান ব্যতীত বছরের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।